মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের এ ক্ষোভকে প্রশমিত করতে না পারলে আগামীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দলগুলোর প্রতিকূলে যাবে। একই সঙ্গে মানুষ যে সংস্কার চাচ্ছে, সে সংস্কারে সহযোগিতা করতে হবে।
গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও লিড কনসালট্যান্ট রুবাইয়াত সারওয়ার। ‘জনমতে ভোটের হিসাব: অনলাইন বনাম মাঠ জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এ জরিপ প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংস্থাটি।
উন্নয়ন গবেষণা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সংস্থা ইনোভিশন কনসাল্টিং। আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিয়ে বিগত ১৬ বছর কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। দারিদ্র্য দূরীকরণ, কৃষি, শিল্প ও এসএমই খাতের বিকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং এসডিজি বাস্তবায়নে দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে করে সংস্থাটি। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে মানুষের ভোটের মনস্তত্ত্ব জানতে জরিপ পরিচালনা করে সংস্থাটি। গতকাল তারই ফল প্রকাশ করা হয়।
অনলাইন ভোটের ফলে দেখা যায়, ৩৫ শতাংশ ছাত্র সমর্থিত নতুন দলকে, ২৫ শতাংশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে, ১০ শতাংশ আওয়ামী লীগকে, ১০ শতাংশ বিএনপিকে, ৩ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। তবে ১১ শতাংশ এখনো নিশ্চিত নয় কাকে ভোট দেবে।
মাঠ জরিপে দেখা যায়, এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি তারা কাকে ভোট দেবে। ২১ শতাংশ বিএনপিকে, ১৪ শতাংশ জামায়াতকে, ১০ শতাংশ ছাত্র সমর্থিত নতুন দলকে ও ৫ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে জানায়।










