চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গত দুই বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অসাবধানতা আর ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়রা বলছেন, বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে নিচে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু ঠেকাতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে আরো সচেতন হতে হবে।

ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে জেলার ছয় উপজেলায় ৪২ জন বিদ্যুত্স্পৃষ্টে মারা গেছে। ২০১৯ সালে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে মারা যায় ২৪ জন ও ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৮।

ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ইছাহক আলি বলেন, গত দুই বছরে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গ্রামের বাড়িতে বিদ্যুতের ওয়্যারিং ব্যবস্থা পুরনো, তার ছিঁড়ে যাওয়া আর বিদ্যুৎ ব্যবহারে অসাবধানতার কারণে এ দুর্ঘটনা বাড়ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে শিশুদের অসাবধানতাও এ ঘটনার জন্য দায়ী।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা কমাতে হলে পুরনো ওয়্যারিং বাদ দিয়ে নতুন করে ঘরে ওয়্যারিং করতে হবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

জেলার মানবাধিকার কর্মী আমিনুর রহমান টুকু বলেন, বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে অনেক সময় মানুষ মারা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগকে আরো সচেতন হতে হবে। এছাড়া গ্রামের মানুষকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন করতে মাইকিং বা সেমিনারের আয়োজন করতে হবে। তবেই কমবে মৃত্যুর সংখ্যা।