ভারত সরকারের আয়োজনে বিমসটেক ইয়ং লিডার্স সামিটে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেছে। ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর, পর্যন্ত ভারতের আসামের গুয়াহাটিতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মনোনীত ১০ জন যুবক-যুবতী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এই সামিটের প্রথম আসর হয়েছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে, যেখানে বাংলাদেশের ১০ জন যুবকও অংশ নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় আসরের মূল বার্তায় বলা হয়, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের তরুণ নেতৃত্বকে একত্রিত হয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং গভীরতর আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের কৌশলগত গুরুত্বকেও তুলে ধরা হয়, যা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে স্থল-সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।
২১ দফা কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত উদ্যোগ অনুযায়ী এ সামিটটি ভারত সরকারের আয়োজনে এবং ভারতীয় ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন করেন আসামের মাননীয় রাজ্যপাল। বিমসটেকের সাত সদস্য রাষ্ট্র থেকে ৮০ জনেরও বেশি তরুণ নেতা এ আয়োজনে অংশ নেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ছিলেন ভিন্ন ভিন্ন খাতের তরুণরা—শিক্ষা-প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, আইনজীবী, জাদুঘর কিউরেটর, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মীসহ নানা পেশার প্রতিনিধি।
ভারতের 'নেইবারহুড ফার্স্ট', 'অ্যাক্ট ইস্ট' এবং 'মহাসাগর' নীতির আলোকে এ সামিট আয়োজন করা হয়। তিন দিনব্যাপী কর্মশালায় তরুণ নেতারা নেতৃত্বের নতুন মডেল, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজাইন থিঙ্কিং ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দেশভিত্তিক উপস্থাপনা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সংহতি জোরদার করে।
ভারত সরকার পুরো ব্যয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করে অংশগ্রহণকারী তরুণদের আতিথ্য জানায়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এসব তরুণ নেতৃত্ব ভবিষ্যতে নীতি প্রণয়ন, সহযোগিতা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।










