কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল জোনে টর্চার সেলে পর্যটককে জিম্মি করে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার মধ্যরাতে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের পশ্চিম খান ঘোনা এলাকার নুরুল আজিমের পুত্র রাশেদুল ইসলাম(২৫) ও একই এলাকার আব্দুস সালামের পুত্র মো. সাকিল (২২)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, গত সোমবার কটেজ জোনের কথিত শিউলি কটেজে দুই পর্যটক ও দুই কিশোরকে অপহরণ করে টাকা আদায়ের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১১ জনকে আসামী করে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর জড়িতদের শনাক্তে ট্যুরিস্ট পুলিশ তদন্তকাজ শুরু করে। তদন্তে সেদিনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সরাসরি জড়িত দুইজনকে ট্যুরিস্ট পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কথিত টর্চার সেলে পর্যটকদের জিম্মি রেখে নির্যাতনের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের ৮ থেকে ১০ জন দূর্বৃত্ত জড়িত রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে সহজ-সরল পর্যটক ও সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে শিউলি রিসোর্ট নামের কটেজে এনে নারী ও মাদক দিয়ে ব্লাকমেইল করে আসছিল। পরে জিম্মিদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয়-ভীতি দেখাতো। এতে ভুক্তভোগীরা মান-সম্মানের কথা ভেবে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে কোনো অভিযোগ দিতেন না।
রেজাউল করিম আরো বলেন, হোটেল-মোটেল জোনের আবাসিক কটেজগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত রয়েছে। এ চক্রের বেশ কিছু দালালও রয়েছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় চিহ্নিত কয়েকটি কটেজে এসব অপরাধ সংঘটন করে আসছিল।
পর্যটন পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, মামলার তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজারে টর্চার সেলে পর্যটক নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ২
বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, গত সোমবার কটেজ জোনের কথিত শিউলি কটেজে দুই পর্যটক ও দুই কিশোরকে অপহরণ করে টাকা আদায়ের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১১ জনকে আসামী করে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।










