শ্রম উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, শ্রমিকদের জন্য কোন প্রক্রিয়ায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা যায়, সে বিষয়ে কাজ শুরু করেছে সরকার। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হওয়ায় অনেকের মতো শ্রমিকেরাও নিজেদের কথা বলছেন। শ্রমিকদের অভিযোগ সমাধানে শ্রম সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সব অভিযোগ ও দাবি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তবে শ্রমিকের আন্দোলনে একদমই যে ষড়যন্ত্র নেই, এমনো নয়।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ভবনে এক মতবিনিময় সভায় শিল্প উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তৈরি পোশাক কারখানায় চলমান সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিজিএমইএ। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শ্রম উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রমুখ।
শ্রম উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের শেষের দিকে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের সময় যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শ্রম আইনের মধ্যে থেকে ট্রেড ইউনিয়ন করার যতটা সুযোগ আছে, তা নিশ্চিত করবে সরকার। তবে এসব প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে যারা অস্থিরতা করবে, তাদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হবে না।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারতীয় গণমাধ্যম ও ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে বলা হচ্ছে ‘এখনই ভালো সময় ইনভেস্ট করার’। এখন আমাদের ভাবতে হবে আমরা কী করব। শিল্প কী আমাদের এখানে থাকবে, নাকি অন্য শক্তি নিয়ে নেবে?
বকেয়া বেতনকে মূল সমস্যা হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, এটাকে আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। অনেক মালিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বেতন দেন না। সরকারের প্রণোদনার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এ আচরণ বদলাতে হবে। যেকোনো আন্দোলনে ষড়যন্ত্র সব সময়ই খোঁজা হয়। কিন্তু মূল সমস্যা হচ্ছে সময়মতো বেতন না দেয়া।
শ্রমিকদেরকে সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদেরকে সময় দিতে হবে। আমরাও আন্দোলন করেছি, আপনাদের ন্যায্য দাবি যত দ্রুত সম্ভব সবার সঙ্গে আলোচনা করেই পূরণ করব।










