ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মোকামে ধান ও চালের দাম আগের তুলনায় বেড়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়ার জন্য দায়ী করছেন চালকল মালিকদের। অন্যদিকে চালকল মালিকরা জানান, আড়তদাররা অতিরিক্ত ধান মজুদ করায় বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে উৎপাদিত চাল বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে জেলা খাদ্য বিভাগ বলছে, কারসাজির মাধ্যমে কেউ যাতে ধানের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সেজন্য মনিটরিং টিম কাজ করছে।

আশুগঞ্জ মোকাম সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ধানের মোকাম পূর্বাঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন মোকামে ৬০-৭০ হাজার মণ ধান কেনাবেচা হয়। কিশোরগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ হাওরাঞ্চলের উৎপাদিত ধান নদীপথে কৃষক ও বেপারিরা এখানে নিয়ে আসেন। তবে হঠাৎ করে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে চালের বাজারেও। বর্তমানে প্রতি মণ বিআর-২৯ ও ২৮ ধান প্রায় ২০০ টাকা বেড়েছে। প্রকারভেদে ১৩০০-১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধানের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়েছে চালের বাজারেও। পাইকারি বাজারে প্রতি ৫০ কেজির বস্তার বিআর-২৮ ও ২৯ চাল ১৫০-২০০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ২৭০০-২৮০০ টাকা প্রতি বস্তা চাল বিক্রি হচ্ছে।

চালকল মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমন ফসল কিছুটা নষ্ট হয়েছে। এছাড়া আড়তদাররা অতিরিক্ত ধান মজুদের কারণেই ধানের বাজারদর বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের।