সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।
আজ সোমবার (১৫ জুন) ২টা ৪০ মিনিটে মানিকপীর টিলায় দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে মা-বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
এর আগে বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের মরদেহে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
সোমবার বাদ জোহর ছড়ারপার জামে মসজিদে তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অল্প সংখ্যক লোক জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করেন। তবে মানিকপীর কবরস্থানে তার জানাযার নামাজে মানুষের ঢল নামে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেও করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া কামরানের জানাযায় অংশ নেয় হাজারো মানুষ। ২য় জানাযার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৭টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে কামরানের মরদেহ নিয়ে সিলেটের পথে রওনা হন তার পরিবারের সদস্যরা। বেলা সোয়া ১২টার দিকে নগরীর ছড়ারপারের বাসায় কামরানের মরদেহ এসে পৌঁছায়। আগে থেকেই এই বাসায় অপেক্ষায় ছিলেন নেতাকর্মীরা।
সিলেট সিটি করপোরেশনের টানা দুবারের মেয়র ও সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান কামরান গত ৫ জুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। পরদিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার শরীর আরও খারাপ হলে ৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মারা যান তিনি। কামরানের স্ত্রী আসমা কামরানও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।










