সিলেটের পর্যটনকেন্দ্র জাফলংয়ে পর্যটকদের ওপর হামলার অভিযোগে আটক পাঁচ স্বেচ্ছাসেবককে আদালতে তুলেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে এসব আসামিকে আদালতে তোলা হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দুই দফা অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।

আসামিরা হলেন, গোয়াইঘাটের পন্নগ্রামের মৃত রাখা চন্দ্রের ছেলে লক্ষ্মণ চন্দ্র দাস (২১), ইসলামপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে মো. সেলিম আহমেদ (২১), নয়াবস্তি এলাকার ইউসুফ মিয়ার ছেলে সোহেল রানা, পশ্চিম কালীনগর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে নাজিম উদ্দিন ও ইসলামপুর রাধানগর গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দীনের ছেলে জয়নাল আবেদীন।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল ইসলাম জানান, হামলায় আহত ঢাকার কদমতলী থানাধীন শ্যামপুর জুরাইন এলাকার সুমন সরকার বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে জাফলং বেড়াতে আসেন সুমন সরকার ও তার পরিবার। সেখানে টিকিট ফি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে দলটি সুমন সরকার ও তার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা করে। স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্যরা লাঠি, কাঠের টুকরো ও লোহার পাইপ দিয়ে পর্যটকদের বেধড়ক মারধর শুরু করে। এ সময় আট নারী-শিশুসহ আহত মোট ১২ জন।

ঘটনার কয়েকটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে নিন্দার ঝড় ওঠে।