ডেকে এনে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে তার কথিত প্রেমিকাকে আটক করেছে সিরাজগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক নুরে আলম সিদ্দিকী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত রুবেল রানা (২৮) টাঙ্গাইলের কালিহাতি থানার শ্যামশৈল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে এবং আটককৃত কথিত প্রেমিকা লাভলী খাতুন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার রসুলপুর গ্রামের লাল মিয়ার মেয়ে। রুবেল রানা বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু নির্মাণ কাজের শ্রমিক সুপারভাইজার ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, গত ২৭ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জ সদর থানার সয়দাবাদে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ইকোপার্কে একটি মরদেহ পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার ও আলামত সংগ্রহ করে।
এরপর অজ্ঞাতনামা হিসেবে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় জিডি করে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যার পর মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়। এর তিন দিন আগে নিখোঁজ হন রুবেল।
ওইদিন রাতেই রুবেলের বাবা বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হলে জানা যায়, লাভলী খাতুন নামে এক নারীর সঙ্গে রুবেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর সূত্র ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় ১৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ঢাকার ধামরাই থেকে লাভলীকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে রুবেলের ব্যবহৃত একটি সেলফোনও উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, দেহে অ্যানেসথেসিয়ার (চেতনানাশক) অতিরিক্ত ডোজ প্রয়োগের কারণে রুবেল মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কোথায় এবং কেন তাকে এভাবে হত্যা করা হলো সেটি তদন্তের পরই জানা যাবে।










