কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে গোসল করতে নেমে মারুফ নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ অন্য দুই পর্যটককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল বিকালে গোসল করতে নেমে ঢেউয়ে ভেসে যাওয়ার সময় দুজনকে উদ্ধার করা গেলেও অন্যজনকে উদ্ধার সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সৈকতের লাইফ গার্ডকর্মী ওসমান গনি।

নিখোঁজ মারুফ আহমদ (১৯) গাজীপুর জেলার কাপাশিয়া থানার ফুলবাড়িয়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন কলেজের শিক্ষার্থী।

উদ্ধার হওয়া মো. শাওন হোসেন (২০) গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকা হারুন মিয়ার ছেলে এবং একই কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া উদ্ধার হওয়া অন্য পর্যটক মো. মাসুম (২০) ফুলবাড়ী এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে এবং কাপাশিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।

উদ্ধার হওয়া দুজনের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর সুস্থ হলেও শাওনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাসুম জানিয়েছেন, রোববার রাতে তারা  তিন বন্ধু কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন। রাতে অ্যাম্বাসেডর হোটেলে অবস্থান নেন। সকালে সৈকতে গোসলে নামেন। এ সময় স্রোতে ভেসে যাওয়ার সময় সৈকতে চলাচলরত জেটস্কি চালকের কাছে সাহায্য চান তারা। কিন্তু টাকা ছাড়া উদ্ধার করতে রাজি হননি চালক। পরে লাইফগার্ড কর্মীরা দুজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও মারুফকে উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

লাইফগার্ড কর্মী ওসমান জানিয়েছেন, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানের চেষ্টা চলছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানিয়েছেন, নানাভাবে উদ্ধার তত্পরতা চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে জেটস্কির বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ রকম আচরণ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য রিপন চৌধুরী জানান, ভর্তি শাওন সুস্থ রয়েছেন। তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যায়।