কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের অব্যাহত ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পরে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শনে এসে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

কবির বিন আনোয়ার জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের নাজিরারটেক থেকে মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার অংশের ভাঙন রোধে কয়েক বছর ধরে জিও ব্যাগ দিয়ে বাঁধ দেয়া হচ্ছে। এটি খুবই অস্থায়ী একটি ব্যবস্থা। এই জিও ব্যাগ বসিয়ে ভাঙন রোধ সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী শুষ্ক মৌসুমে বাঁধ নির্মাণকাজ শুরু হবে।

পানিসম্পদ সচিব আরো বলেন, জিও ব্যাগ পানির নিচে থাকলে তা টেকসই হয়। তাই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এ বাঁধ হবে আকর্ষণীয় ও টেকসই। সেখানে ওয়াকওয়েসহ নানা সুবিধা থাকবে, এতে  পর্যটকের আকর্ষণ আরো বাড়বে।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলামসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত দুদিনে সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয় সৈকতের লাবণী পয়েন্টে। সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি স্থাপনাসহ সৈকতের বড় একটি অংশ। এতে অনেকটাই শ্রীহীন হয়ে পড়েছে এলাকাটি।

কয়েক বছরে সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্ট থেকে শুরু করে শৈবাল পয়েন্ট পর্যন্ত বিশাল এলাকা সাগরের করাল গ্রাসে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে হাজার হাজার ঝাউগাছ। সেসব স্থানে পরে জিও ব্যাগ বসিয়ে ভাঙন ঠেকানো গেছে অনেকটাই।