তফসিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যেই দলের বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
গতকাল বিকালে শেরেবাংলা নগরে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ওপর চিত্র প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যারা প্রার্থী হয়েছেন সেটা দল দেখছে। আমাদের মতো বড় দলে যোগ্য প্রার্থী প্রচুর। সেখানে অনেকেই দলের সিদ্ধান্তকে মনে করেছে, তাকে যদি মনোনীত করা হতো তাহলে আরো ভালো হতো। তারা সেজন্য চেষ্টা করছে। প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়নি। আমরা আহ্বান জানিয়েছি তাদের যে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। আমরা আশা করছি, তারা প্রত্যাহার করবেন। অনেকেই অলরেডি প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছেন আমাদের। সেজন্য আমি মনে করি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এ পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়ে যাবে। নইলে দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’
সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া তার সন্তান তারেক রহমানকে রেখে গেছেন, যিনি বাংলাদেশের এখন অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের রাজনীতির মস্ত বড় একজন অংশীদার। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ তার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চায় এবং সেজন্যই তাকে নিয়ে মানুষের এত আকাঙ্ক্ষা, মানুষের এত আবেগ।’
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘দৈনন্দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। এ ব্যাপারে আমরা সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি এবং আবার আহ্বান জানাব, তারা যেন অত্যন্ত সক্রিয় হয় এবং কৌশলী হয়। মনে রাখতে হবে যারা নির্বাচনটা এ সময় হোক চায় না, কিংবা যারা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র উত্তরণ ঘটুক এটাও চায় না, তারা নানা রকমের ঘটনা ঘটিয়ে একটা অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করবে। কিন্তু আমরা মনে করি, সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’










