এ দরবৃদ্ধির পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে বিষয়টি জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫১ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকা ২০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২৯ টাকা ২০ থেকে ৬৮ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের ইপিএস হয়েছে ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২৪ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের ইপিএস হয়েছে ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২৪ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের ইপিএস হয়েছে ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪৯ পয়সায়।

ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ড্যাফোডিল কম্পিউটারসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৯ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার ২৬২। এর ৪১ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৪ দশমিক ৬২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।