৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩ পয়সা। ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরেও যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা।
২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা।
১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৭ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৪৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৭১ লাখ ১৪ হাজার ৬১৪। এর ৪০ দশমিক ১৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৮০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










