পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোক্তা তোফাজ্জল হোসেন ব্যাংকটির ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। তার কাছে ব্যাংকটির মোট ১ কোটি ৫৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫৪টি শেয়ার রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক মার্কেটে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি এ শেয়ার বিক্রি করবেন।

চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪৫ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকেও ছিল একই। গত ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৬ পয়সায়। 

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা। আগের হিসাব বছরেও ছিল একই। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৭২ পয়সা। 

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এর আগেও সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১১২ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৬৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫১।