সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ৬ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ৯৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৭ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৮ টাকা ৫৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৭৪ টাকা ৩৬ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৮ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৭৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৫ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ টাকা ১৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ২৩ পয়সায়।

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল বি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি ফোর’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ওয়াসো ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ১৬৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ২১০। এর ২০ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৪৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৮ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।