সিটি ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সমন্বিত মুনাফা বেড়েছে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৭৬ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ১২ পয়সায়। ব্যাংকটির এক মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য ২০২৩ হিসাব বছরে ব্যাংকটির নিট মুনাফা হয়েছে ৬৩৮ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৭৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯০ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে দ্য সিটি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে দ্য সিটি ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮ টাকা ২১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ২৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে দ্য সিটি ব্যাংক। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক ও সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ৬৫ পয়সা।
২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২২ দশমিক ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল দ্য সিটি ব্যাংক। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১৮ হিসাব বছরের জন্য মোট ১১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল সিটি ব্যাংক। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এছাড়া ২০১৭ হিসাব বছরে ১৯ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
ব্যাংকটির সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ব্যাংকটির ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি)।










