৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৯৬ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৪১ টাকা ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪১ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৬০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৬০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫৩ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৪১ পয়সায়।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৭৫৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ২৬৭। এর ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক শূন্য ২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










