পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৭৫ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সায়হাম টেক্সটাইল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৭৭ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সায়হাম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৬৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৮৪ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে সায়হাম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৪০ পয়সায়।

২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল মিলস।

সমাপ্ত ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ ও সমাপ্ত ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সায়হাম টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৩৩ কোটি ৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৫ লাখ ৬২ হাজার ৫০০। এর ৩৪ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৭৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।