নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ না করার কারণে কোম্পানিটিকে বিদ্যমান ‘বি’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল থেকেই ক্যাটাগরি পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে অন্যান্য বিনিয়োগকারীর জন্য ১ দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরের সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে পরিচালক বাদে বাকি শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮২ পয়সা। ২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ১০৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৩৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৭ হাজার। এর ৩৫ দশমিক ২৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৩৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










