ছয় কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারে গত বৃহস্পতিবার আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় একটি আদেশ জারি করেছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। যদিও গত রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের এ আদেশ বাতিল করা হয়। অথচ এ-সংক্রান্ত আদেশ এখনো কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তথ্যানুসারে, গত বৃহস্পতিবার অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে ছয় কোম্পানির ওপর বলবৎ থাকা ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়। এক্ষেত্রে গত রোববার থেকে বেক্সিমকো লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার ও শাহজিবাজার পাওয়ারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। আর ১৩ আগস্ট থেকে বিএসআরএম লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। তবে বিষয়টি নিয়ে পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমালোচনা শুরু হলে এ আদেশ বাতিলের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়। এতে কমিশন সভা ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের মতো বাজার নিয়ন্ত্রণকারী আদেশ জারি করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসির পক্ষ থেকে আদেশটি বাতিল করা হয়। আদেশ বাতিল করার দুদিন পরও এ-সংক্রান্ত আদেশ দুটি বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। অথচ এর আগে ফ্লোর প্রাইস-সংক্রান্ত সব আদেশই কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখাপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কেন আদেশ দুটি কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।’










