৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৯৭ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৭৯ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৭৫ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৬১ পয়সায়।

২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৭২ পয়সায়।

২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১৩। এর ৩২ দশমিক ৭৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ৪০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।