মধ্যপ্রাচ্যের সিনেমা প্রদর্শন শিল্পে দ্রুত বর্ধনশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে সৌদি আরব। দেশটির সরকার ২০১৮ সালের এপ্রিলে প্রেক্ষাগৃহ চালুর অনুমোদন দেয়। ওই সময় থেকে গত মার্চ পর্যন্ত দেশটির সিনেমা হলে আয় হয়েছে ৯৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ১ বিলিয়ন, যা অতিচর্চিত জ্বালানি তেল-বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এ সময়ে সৌদি সিনেমা হলে ৬ কোটি ১০ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে। ছয় বছরে সৌদিতে প্রদর্শিত ১ হাজার ৯৭১টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৪৫টি স্থানীয় প্রযোজনায় নির্মিত। এ প্রবৃদ্ধি চলচ্চিত্র অঙ্গনে দেশটির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের দ্রুত গ্রহণের অভ্যাসকে প্রতিফলিত করছে। সৌদি সিনেমা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হানা আল-ওমাইর দেশটির দ্রুত প্রসারণশীল এ শিল্প সম্পর্কে বলেন, ‘গত বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমার মধ্যে ১৯টি ছিল স্থানীয় প্রযোজনায় নির্মিত, যা শিল্পের জন্য একটি ইতিবাচক পরিস্থিতি নির্দেশ করে।’ সম্প্রতি ফ্রান্সে শুরু হওয়া কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন তুলেছে সৌদি চলচ্চিত্র। ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ অনুসারে, জিডিপিতে বিনোদন শিল্পে অবদান ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৩ শতাংশের বেশি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে এ খাতে এক লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৬১৮টি স্ক্রিন ও ৬২ হাজার ৩৭৩টি আসনসহ ৬৬টি সিনেমা হল রয়েছে। দেশটির ২২ শহরে ছয়টি কোম্পানি এ প্রেক্ষাগৃহগুলো পরিচালনা করে। খবর আরব নিউজ