বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড কারখানার একটি অংশ শেনস ক্রপ-সাইন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিএসবিএল) কাছে ভাড়া দিয়েছে। এতে প্রতি মাসে কোম্পানিটির ৪ লাখ ২ হাজার ৮০০ টাকা ভাড়া বাবদ আয় হবে। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।
তথ্যানুসারে, দুলামিয়া কটন কারখানার ১৭ হাজার ৬৪০ বর্গফুট জায়গা সিসিএসবিএলের কাছে ভাড়া দিয়েছে। এতে ভাড়া বাবদ প্রতি বর্গফুট ২০ টাকা হিসাবে মাসে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিভিন্ন সুবিধা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ খাতে প্রতি বর্গফুট ২ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় হয়েছে।
এ বছরের মার্চে ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এক্সচেঞ্জটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুলামিয়া কটন মিলসের বর্তমান অবস্থা দেখতে কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটির কারখানা বন্ধ ও সিলগালা থাকায় তারা কারখানায় ঢুকতে পারেননি। ফলে তারা পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেননি।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) দুলামিয়া কটন মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৫ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১৯ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৭৬ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। ২০২১-২২ হিসাব বছরেও কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। লোকসানের কারণে ২০১৭-১৮, ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি।
তিন দশকের বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত দুলামিয়া কটন সুতা উৎপাদন করে, যা মূলত স্থানীয় বস্ত্র শিল্পেই ব্যবহার হয়। মাল্টিমোড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে আসে ১৯৮৯ সালে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ৭৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০টি শেয়ারের মধ্যে ৩৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালক, ৬ দশমিক ৮১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬০ দশমিক ১৮ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ৭১ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ার ৫২ টাকা ৬০ থেকে ৭৮ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










