সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দ্য ঢাকা ডায়িং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক বেড়েছে। এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে কোম্পানিটি।
বাজার পর্যালোচনায় জানা যায়, ৪ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৮ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকায়।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ১২ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানির লোকসান হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছিল ১৪ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছর শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৩৪ টাকা ৬৪ পয়সা।
২০২১-২২ হিসাব বছরের শেয়ারহোল্ডারদের দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল দ্য ঢাকা ডায়িং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬০ পয়সা। ওই হিসাব বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ৬৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৪ টাকা ৪৮ পয়সা।
২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে দ্য ঢাকা ডায়িং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৬০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ৪৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৮ টাকা ৩৬ পয়সা।
২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ১৩ পয়সা। আগের বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ টাকা ২৫ পয়সা। আগের চার বছর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশবঞ্চিত করেছে কোম্পানিটি। ২০১৪-১৫ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ঢাকা ডায়িংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৭১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৫৩। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৭১, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ২০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৫১ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










