৩০ জুন অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডাইনামিক সান এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেড প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, যেখানে মূল কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ডাইনামিক সান এনার্জি একটি প্রকল্পভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডাইনামিক সান এনার্জিতে বিনিয়োগ করা প্রায় ২০০ কোটি টাকা রূপান্তর করা হবে রূপান্তরযোগ্য কিন্তু অ-অবসায়নযোগ্য (কনভার্টিবল নন-রিডিমেবল) প্রেফারেন্স শেয়ারে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ১০ টাকা ধরে মোট ২০ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করা হবে, যার ওপর বার্ষিক ৯ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেয়া হবে। এ শেয়ারগুলো বরাদ্দের তারিখ থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য হবে।
এছাড়া আরো ৯৩ কোটি ১ লাখ টাকা রূপান্তর করা হবে অরূপান্তরযোগ্য প্রেফারেন্স শেয়ারে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যের মোট ৯ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করা হবে, যেগুলোর ওপর বার্ষিক ৯ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেয়া হবে এবং বরাদ্দের তারিখ থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এসব শেয়ার অবসায়ন করা হবে।
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৮৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৭২ পয়সায়।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭৯ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৯১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৬। এর ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৯৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৪২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










