খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ১৪৯ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৭ টাকা ৩০ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির বিক্রি বাবদ আয় হয়েছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ হাজার ১৪৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১২ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১৯ পয়সা। ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৬ টাকা ৮৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১০ টাকা ১৯ পয়সা।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮০২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮৬। এর মধ্যে ৪৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৮ দশমিক ২০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ১১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










