দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং সামাজিক ব্যবসাসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সম্মেলনে সামাজিক ব্যবসার প্রসার, উদ্ভাবনী ধারণার বিনিময় এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স (এসবিই), ইউনূস সেন্টার, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি ও ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। ‘সৃজন, স্থায়িত্ব, রূপান্তর—পরবর্তী প্রজন্মের সামাজিক উদ্ভাবকদের ক্ষমতায়ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে দিনব্যাপী বিভিন্ন প্লেনারি ও কারিগরি অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এনএসইউর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নেছার ইউ আহমেদ। সূচনা বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইউনূস সেন্টার ও গ্রামীণ হেলথকেয়ার ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ। এছাড়া থাইল্যান্ড, তাইওয়ান ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, দেশী-বিদেশী শিক্ষাবিদ, গবেষক, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা এবং শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনের পর ‘বিয়ন্ড প্রফিট: রিডিফাইনিং বিজনেস ফর দ্য নেক্সট জেনারেশন’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে সামাজিক ব্যবসার ধারণা, টেকসই উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সম্মেলনে খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, নারী উদ্যোক্তা, ইএসজি, সামাজিক উদ্ভাবনের অর্থায়ন এবং একাডেমিয়ার ভূমিকা নিয়ে একাধিক ব্রেকআউট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি দিনব্যাপী ‘সোশ্যাল বিজনেস ইনোভেশন শোকেস’-এ শিক্ষার্থী, স্টার্টআপ ও সামাজিক উদ্যোগভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও পণ্য প্রদর্শন করা হয়।










