কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০০২তম কমিশন সভায় গতকাল এ অনুমোদন দেয়া হয়। ফান্ডটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর।
বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসইএমএল লেকচার ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের মেয়াদ ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ইউনিটহোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে ফান্ডটির ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) ফান্ডটিকে বেমেয়াদিতে রূপান্তরের আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফান্ডটিকে মেয়াদি থেকে বেমেয়াদিতে রূপান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করে কমিশন।
একই সঙ্গে কমিশন ফান্ডসংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিলও অনুমোদন করে। রূপান্তরিত বেমেয়াদি এসইএমএল লেকচার ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের প্রাথমিক আকার হবে ৫০ কোটি টাকা। এর সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে স্ট্র্যাটেজিক ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে বিজিআইসি ও কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি।
এর আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর এসইএমএল লেকচার ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের ট্রাস্টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মোট ১ হাজার ৫২৪ জন ইউনিটহোল্ডারের মধ্যে ৭৭ জন ট্রাস্টির অনুরোধে ভোট দেন। ফলাফলে ৬৭ জন বা ৯৩ দশিমক ১৯ শতাংশ রূপান্তরের পক্ষে এবং ১০ জন বা ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ বিপক্ষে ভোট দেন। পরে সভার চেয়ারম্যান আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরী (ট্রাস্টির প্রতিনিধি) ফান্ডটি বেমেয়াদিতে রূপান্তর হবে বলে ঘোষণা দেন।
সে সময় স্ট্র্যাটেজিক ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও বিজিআইসি যথাক্রমে ফান্ডাটির সম্পদ ব্যবস্থাপক ও ট্রাস্টি হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করে। ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। আর ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রাথমিকভাবে আগ্রহ দেখালেও ইউনিটহোল্ডাররা অনুমোদন দেননি। সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয় হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ফান্ডটির মূল্যায়নকারী ও নিরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসইএমএল লেকচার ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের পরিশোধিত মূল্য ৫০ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। মোট ইউনিট সংখ্যা ৫ কোটি। এর ১০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ১০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৩ দশমিক ৯০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। গত এক বছরে ফান্ডটির ইউনিট দর ৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










