এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় উঠে এসেছে কোম্পানিটি। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর ৪০ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ১৫ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে শুধু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে মালেক স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৬৩ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে মালেক স্পিনিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি মালেক স্পিনিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭২ পয়সা।

২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মালেক স্পিনিং মিলস পিএলসির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৩০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ৩৬ লাখ। এর ৪৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ৪৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।