ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) গতকাল নিজস্ব এআই গবেষণা ল্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। দেশে এআইভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবন ও ডিজিটাল রূপান্তরকে আরো গতিশীল করতে ল্যাবটি স্থাপন করা হয়েছে বলে ডিআইইউ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। অনুষ্ঠানে ‘এআই প্রজেক্ট কম্পিটিশন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং এআইভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন এবং ছয়টি বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণও করেন আইসিটি মন্ত্রী।
ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাসুম ইকবাল ও কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সারওয়ার হোসেন মোল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘গবেষণা ল্যাবটি শিক্ষার্থীদের অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার, প্রভাবশালী গবেষণা পরিচালনার, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ তৈরির এবং শিল্প-উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনের সুযোগ করে দেবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন এক সময়ে একত্র হয়েছি, যখন এআই বিশ্বজুড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, প্রশাসন এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে। তাই এআই কেবল একটি প্রযুক্তিই নয়; এটি ভবিষ্যৎ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।’
ফকির মাহবুব আনাম জানান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে সরকার একটি জাতীয় এআই নীতি প্রণয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালীকরণ এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ-উপযোগী দক্ষতায় সজ্জিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, ‘আমরা শুধু একটি এআই-অ্যানাবল্ড বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং একটি এআই-নেটিভ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে চাই। যেখানে এআই কেবল একটি প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে না; বরং আমাদের নিজস্ব এআই-ভিত্তিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান তৈরি হবে।’










