সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ১০৮ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৪৩ টাকা ১০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ২৯ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৪৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৮ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাদে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ২৯ পয়সায়।

রহিমা ফুড করপোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০০। এর ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৪২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।