শিল্প খাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ পেয়েছে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।
জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জিসিএনবি) ও ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইমপ্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট অ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।
শনিবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি ও ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘তিনটি ক্যাটাগরিতে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস অর্জন ওয়ালটনের জন্য আনন্দের ও গর্বের। এ স্বীকৃতি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির স্বীকৃতি।’
তিনি আরো বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নকে ব্যবসার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে ওয়ালটন। এ কারণে কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া ও কর্মক্ষেত্রসহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ও নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সবুজ প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
এছাড়া কারখানায় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।









