খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন চালুর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। আগামী দুই বছর নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্টের ভিত্তিতে কেন্দ্র দুটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

তথ্য অনুসারে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি হলো খুলনার কেপিসি ইউনিট-২-এর ১১৫ মেগাওয়াট প্লান্ট ও নওয়াপাড়া কেপিসি ৪০ মেগাওয়াট প্লান্ট। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ২৪ মার্চ মধ্যরাতে কেন্দ্র দুটির উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। 

চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে খুলনা পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৬ পয়সা। 

গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১৪ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কেপিসিএলের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ পয়সা, ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৯ পয়সায়। 

কোম্পানিটির ঋণমাণ দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-থ্রি’। কোম্পানির ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

১৯৯৭ সালে দেশের প্রথম আইপিপি হিসেবে কেপিসিএলের যাত্রা শুরু। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১০ সালে। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৯৭ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৩ হাজার ১৭৯। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে ৬৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৮ দশমিক ৯১, বিদেশী দশমিক ১৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২০ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার।