সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত ‘পঞ্চম গ্লোবাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কংগ্রেস (জিএসডিসি) ২০২৬’-এর ফাঁকে এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। ২২ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে টাইমস হায়ার এডুকেশন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তরা ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য আবিদ আজিজ এবং ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং সেলের পরিচালক শেখ ইয়াসা শান। চারদিনের সম্মেলনে তারা বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, কৌশলগত অংশীদারত্ব গঠন এবং একাডেমিক আলোচনা শেষে ২২টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি সম্পন্ন করেন।

চুক্তিবদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ১৫টি, ফিলিপাইনের ছয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিভার্সিতাস ব্রাবিজায়া, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ জাকার্তা, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ আহমদ দাহলান, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ সুরাবায়া ও ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ রিয়াউ। এছাড়া ফিলিপাইনের ইউনিভার্সিটি অব দ্য ভিসায়াস, ইউনিভার্সিটি অব ইস্টার্ন ফিলিপাইনস, ক্যাভিট স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিও এ অংশীদারত্বের অন্তর্ভুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সমঝোতা স্মারকের আওতায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি, যৌথ গবেষণা, গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ভিজিটিং স্কলার কর্মসূচি, দ্বৈত ডিগ্রি উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার ও কর্মশালা যৌথভাবে আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে শিক্ষক-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

উত্তরা ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিকীকরণকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরো জোরদার হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ বাড়বে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক অবস্থান সুসংহত হবে।