‘টেক অ্যান্ড বিজনেস সিনার্জি সামিট ২০২৫’ আয়োজন করছে স্টেশন ঢাকা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রাইভেট খাতের অন্যতম উদ্যোক্তা মোসাদ্দিক আহসানের নেতৃত্বে স্টেশন ঢাকা বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকালে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ-তে বিএসইসি ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ আয়োজনের মাধ্যমে আগামী মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ‘টেক অ্যান্ড বিজনেস সিনার্জি সামিট ২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে।
এ উদ্যোগটি যুক্তরাষ্ট্রের সিলেক্ট ইউএসএ ২০২৫ এর সময়সূচির সঙ্গে কৌশলগতভাবে সামঞ্জস্য রেখে আয়োজিত হচ্ছে।
এটি একটি স্বাধীন উদ্যোগ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ পরিবেশের সঙ্গে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও নেপালের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি উচ্চমানের প্লাটফর্ম তৈরি করতে সহায়তা করবে।
মূল ইভেন্টগুলো— ১২ মে: ইভনিং মিক্সার (ব্যবসায়িক পরিচিতি ও আলোচনা) ১৫ মে: ম্যাচমেকিং ও নেটওয়ার্কিং সামিট, একই দিনে দক্ষিণ এশিয়ার উদ্যোক্তা ও মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে গালা ডিনার।
ইভেন্টে বাংলাদেশের উদ্যোগকে আঞ্চলিক পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরতে শ্রীলংকা ও নেপালকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি সম্মিলিত উদ্যোক্তা উদ্যোগ হিসেবে মার্কিন বিনিয়োগের সামনে তুলে ধরবে।
এ সামিট বাস্তবায়নে স্টেশন ঢাকা যুক্ত করেছে বিজনেস গ্লোবালাইজার — যারা এরই মধ্যে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বৈশ্বিক প্রসারে কাজ করছে। এদের মধ্যে রয়্যাল অরাঞ্জি মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরো কিছু স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারও থাকবে, যাদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।
সামিটের সম্ভাব্য প্রভাব ও লক্ষ্য হিসেবে দক্ষিণ এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরি করা, ক্যাপিটাল রেইজ, মার্কেট এন্ট্রি ও পলিসি সিনার্জির প্লাটফর্ম তৈরি করা
ও বাংলাদেশের ইমেজকে উচ্চ-প্রযুক্তি সম্পন্ন, উদ্ভাবনী ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
স্টেশন ঢাকা কোনো ট্রেড বডি নয়, এটি একটি লাভজনক, স্বাধীন উদ্যোগ যা ব্যবসা পরিচালনায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। এর মূল উদ্দেশ্য হলো: উদ্যোক্তাদের বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সহায়তা করা, পলিসি ও মার্কেট গেটওয়ের হালনাগাদ তথ্য ও সহায়তা প্রদান ও বিশ্বজুড়ে সিনার্জি ও পার্টনারশিপ তৈরি করা।
এর আগে স্টেশন ঢাকা তুরস্ক দূতাবাসের সঙ্গে যৌথভাবে দুটি প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সফলভাবে শুরু করার পর স্টেশন ঢাকা একই ধরনের সামিট মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আসিয়ান অঞ্চলগুলোতে আয়োজন করতে চায়। —বিজ্ঞপ্তি










