বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মাল্টিপারপাস হলে গতকাল ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে এ আয়োজন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সিএসই ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডার, পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালামসহ কমিশন ও সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক বলেন, ‘দেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠায় সিএসই যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বর্তমান বাজার কাঠামোর মধ্যেই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন এবং এ লক্ষ্যে সিএসই এরই মধ্যে অধিকাংশ প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে “ফিউচারস উইথ ক্যাশ সেটলমেন্ট”-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। বাকি কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে বিএসইসি সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।’
স্বাগত বক্তব্যে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘দেশের আর্থিক বাজারকে পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর করতে ইকুইটি মার্কেটের পাশাপাশি অন্যান্য সেগমেন্টও দ্রুত চালু করা প্রয়োজন। কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে ইকুইটি ডেরিভেটিভস চালুর জন্যও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে গত তিন বছরে একাধিক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে, যারা ভবিষ্যতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।’










