পুঁজিবাজারে অবশিষ্ট ছয়টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস (শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সংস্থাটি। বিএসইসির পাঠানো এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

আদেশে জানানো হয়, ৮ আগস্ট বিএসইসির ফ্লোর প্রাইস-সংক্রান্ত নির্দেশনা রহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। গতকাল থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।

তথ্য অনুসারে, গতকাল থেকে বেক্সিমকো, খুলনা পাওয়ার ও শাহজিবাজার পাওয়ারের আর ১৪ আগস্ট থেকে বিএসআরএম লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। এর আগে শনিবার রাতে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম পদত্যাগ করেন।

৮ আগস্ট বিএসইসির আদেশে বলা হয়, ফ্লোর প্রাইস ও অন্যান্য সিদ্ধান্ত আরোপসংক্রান্ত কমিশনের ২০২২ সালের ২৮ জুলাই জারি করা আদেশের কার্যকারিতা তিন কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক, বিএসআরএম লিমিটেড ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ১৪ আগস্ট থেকে কোম্পানিগুলোর ফ্লোর প্রাইস আর থাকবে না।

আদেশে আরো বলা হয়, ২০০১ সালের ১৭ জুন কমিশনের জারি করা আদেশ অনুসারে সার্কিট লিমিটের ক্ষেত্রে শেয়ারদরের ঊর্ধ্বসীমা অপরিবর্তিত থাকবে। আর শেয়ারদর কমার ক্ষেত্রে বিএসআরএম লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম বাদে বাকি সব সিকিউরিটিজের জন্য ৩ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার প্রযোজ্য হবে। ১৪ আগস্ট থেকে সব সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। নতুন এ আদেশ জারির মাধ্যমে ৬ ফেব্রুয়ারি ও ২৪ এপ্রিল জারি করা এ-সংক্রান্ত আদেশ রদ করা হয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি ১২টি বাদে বাকি সব কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এরপর ৬ ফেব্রুয়ারি আরো ছয় কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।