বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার ক্ষেত্রে দুটো বিষয় বারবার আমার চিন্তায় আসে। এক. আর্থিক দিক। শিক্ষায় অর্থায়নে বাংলাদেশ রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে নিচের দিকে আছে। ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোয় শিক্ষায় জিডিপির ৪-৬ শতাংশ বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়। বাংলাদেশে শিক্ষায় প্রতি বছর জিডিপির ২ শতাংশের নিচে বাজেট বরাদ্দ হয়। অথচ দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৯৫ শতাংশই সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত হয়। তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলোর গতি কী হবে তা সহজেই অনুমেয়। ৮০ কোটি টাকা ঘাটতি বাজেট নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চলছে। বরাদ্দের অর্থও আসছে দেশের সাধারণ মানুষের করের টাকায়। আবার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মেধাবী শিক্ষার্থীরা অনেক সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সক্ষমতা না থাকায় তারা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। প্রায় ৮৫ বছর ধরে এসব শিক্ষার্থী ১২ টাকা মাসিক ফি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এটা অত্যন্ত ভালো একটা দিক। দুই. সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ কোনো আয় নেই। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে অন্য বিষয়গুলোর মতো আর্থিক অবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অর্থ বরাদ্দ কিছুটা বাড়ানো যায় কিনা শিক্ষা উপদেষ্টাসহ নীতিনির্ধারকরা এ বিষয়ে ভাববেন। শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য এ দুই খাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ দুই বিষয়ে পাশ্চাত্যের সভ্য জাতির উদাহরণ দিই। কিন্তু কাজ করার সময় তারা যা করেন, তার উল্টোটা আমরা করি। যেহেতু এবার একটা ভিন্ন পরিস্থিতিতে (রাজনৈতিক পটপরিবর্তন) রয়েছি, প্রত্যাশা করি নিশ্চয় অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং তা কার্যকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সফলতা আনতে গেলে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের কোনো দোষ দিয়ে লাভ নেই। ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪—এর যে সংগ্রামের কথাই বলি না কেন, শিক্ষার্থীরা বারবার দেখিয়েছে তারা রক্ত দিয়ে পরিবর্তন আনতে পারে। কিন্তু অভিভাবকরা সেই পরিবর্তনের ফলাফল আনতে ব্যর্থ হন। বারবার জনতার সঙ্গে মিলে পরিবর্তন আনতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি, এবার তাৎপর্যপূর্ণ কিছু পরিবর্তন হবে।
মূল্যবোধের কথা এ জন্যই বলেছি, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো উপাচার্য পালিয়েছেন কিনা, তা পাঠ করেছি। তাতে দেখলাম বাংলাদেশে এবারই প্রথম ও নজিরবিহীন ঘটনা। তাহলে কেন হলো? বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং শিক্ষায় বৈশ্বিক মান নির্ধারণ করতে হলে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়াটি ঠিক করতে হবে। মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়হীনতা অতি স্পষ্ট। এ সমন্বয়হীনতা দূর করতে হবে। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে দুই হাজার ছাত্র-জনতার রক্তস্রোতে যে পরিবর্তন হয়েছে, এবার তার প্রতিফলন সামান্য হলেও থাকা উচিত।
কিন্তু প্রতিনিয়ত বৈচিত্র্যের নামে বিভাজন তৈরির অভিযোগ আছে এ জাতির বিরুদ্ধে, সেই চর্চা থেকে এখনো আমরা বের হয়ে আসিনি। কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী যে পরিবর্তনের অঙ্গীকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রয়োজনীয় অন্য খাতে টেকসই করা দরকার, তার আগেই নিজেদের অবস্থানগুলো নিশ্চিত করতে আমরা প্রচলিত পদ্ধতি বা প্রথাগত অভ্যাসের অনুশীলন শুরু করি। এর বাইরেও কী খুব যেতে পেরেছি এবারো? খুব শঙ্কা হয়। এ আলোচনা থেকে সত্যিকার অর্থে কি কিছু পরিবর্তন হবে?
বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা পরিবর্তন করতে চাই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তার নিজ নিজ আসনে উঠতে পারার ব্যবস্থা করেছি। আমার বেশি শক্তির কারণে এটা সম্ভব হয়েছে? না। এটা সম্ভব করেছে একটি পরিবেশ। আর এ পরিবেশ কীভাবে তৈরি হয়েছে? বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোয় যারা এতদিন দখল করে রেখেছিল, তাদের শক্তি জোগানদাতাদের অনুপস্থিতি। সরকার পক্ষে বা সরকারে যারা যাবেন—তাদের না এনে এ ধরনের আলোচনার সফলতা আসবে বলে বিশ্বাস করি না। প্রয়োজন হচ্ছে একটি কার্যকর আলাপ তৈরি করা এবং সেটা কার্যকর করা।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কীভাবে পরিবর্তন হবে? দুটো পর্যায়ের উপাচার্যের কথা বলা দরকার। আমার উপাচার্য পদের বয়স হয়েছে তিন মাসের একটু বেশি। আগে রাস্তায়, গণমাধ্যম ও শ্রেণীকক্ষে ছিলাম। সেখান থেকে একটা পরিস্থিতিতে উপাচার্য হয়েছি। এসে যা দেখছি, একে তো নতুন, তার মধ্যে অভিজ্ঞতা নেই এবং অতটা বিজ্ঞও নই। এর মধ্যে সবকিছু অগোছালো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়—এ চার বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান; ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। যদিও দুটোকে নষ্ট না করার অঙ্গীকার করে সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘চারটিকেই স্বায়ত্তশাসন দিয়েছি, দুটিকে নষ্ট করতে চাই না।’ এর অর্থ কী? স্বায়ত্তশাসন দিয়ে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কি নষ্ট করা হয়েছে? এখানে একটু ভাবার বিষয় আছে। অর্ধশত বছরে কেউ কি একবার ভেবেছি, এ বক্তব্যের তাৎপর্য কী? এটা তো ভাবতে হবে।
কীভাবে উপাচার্য নিয়োগ হয়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চলে? প্রশ্ন হচ্ছে, এর আগে উপাচার্যরা যেভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ জড়িত।
গত সিন্ডিকেট ইলেকশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলীয় উপাচার্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য ঢাকাসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরোধী আদর্শে বিশ্বাসী পেশাজীবী সংগঠনের কোনো প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাহলে কি সব মেধাবী একই আদর্শে বিশ্বাসী? নাকি দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ হয়েছে? দলীয় উপাচার্যরা তার সন্তানদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। কারণ উপাচার্য থাকতে তিনি দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে একটি অপকর্ম করেছেন। অর্থের বিনিময়ে বা দলীয় বিবেচনায় আসা সেই অযোগ্য শিক্ষকটি তার সন্তানের শিক্ষক। প্রকৃত অর্থে শিক্ষায় পরিবর্তন করতে চাইলে এখানে পরিবর্তন করা দরকার। ৫০ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন, যারা নীতিনির্ধারণ করেছেন তাদের দায় বেশি। যারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন—তাদের দায় স্বীকার করা উচিত। তা না হলে এ আলোচনা হতেই থাকবে এবং গণমাধ্যমের শিরোনাম হবে। এর বাইরে বের হতে হবে। আর কতবার আমরা যুদ্ধ করব? কতবার সংগ্রাম করব?
যারা রাজনীতি করেন, যারা এ দেশের পরিবর্তন চান, যারা ক্ষমতায় যেতে চান—তাদের আমাদের এ কথাগুলোকে শোনাতে হবে এবং তাদের উপলব্ধি প্রয়োজন। ছাত্র-জনতা অসাধারণ বিপ্লবের মাধ্যমে আরেকটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। যারা রাজনীতি করে ক্ষমতায় যেতে চান, তারা কি এ অঙ্গীকারে আবদ্ধ হবেন যে রক্তের ঋণ শোধ করা প্রয়োজন। যেটা অর্ধশত বছরে বারবার শিক্ষার্থী সমাজকে প্রতারিত করা হয়েছে।
একাত্তরে যারা শহীদ হয়েছেন, বাকশাল করে তাদের রক্তের সঙ্গে কি আমরা বিশ্বাসঘাতকতা করিনি? পরপর সরকারে গিয়ে আমরা এমন গ্র্যাজুয়েট তৈরি করেছি, যাদের ২৬ লাখেরও বেশি বেকার রয়েছে। অন্য দেশ থেকে আমাদের বিশেষজ্ঞ আনতে হচ্ছে। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এত জ্ঞানী-গুণী মানুষ, এত রাজনীতিবিদ, এত অঙ্গীকার এবং যে দেশটি রণাঙ্গনে স্বাধীন হয়েছে—সেই চেতনার মানুষগুলো কি অর্ধশত বছরে এ সামান্যটুকু নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে পারেনি?
পাঠ্যক্রমে কী আসবে সেটা নিয়ে নানা কথা আছে। যেহেতু আমি দর্শনের মানুষ, তাই আমি বলবই, দর্শন পড়লে মূল্যবোধের উন্নতি হবে। আমরা বেনজীর আহমেদ এবং মতিউর রহমানকে দেখেছি। তারা তো গুণী-জ্ঞানী কম ছিলেন না। ছাগলকাণ্ড থেকে শুরু করে কত কিছুই না দেখেছি, তাহলে শুধু মেধাদক্ষতা অর্জন করা কি একটা মানুষকে সফল করে? সেজন্য নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের বিষয়টি আমাদের দেখতে হবে।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে একজন উপাচার্য যদি নিজে আলোকিত না হন বা একজন বিজ্ঞানী যদি আলোকিত না হন তাহলে আপনি কতক্ষণ পাহারা দেবেন? ফলে বিকৃত ইতিহাস পড়া বন্ধ করতে হবে। আমাদের যে সরবরাহ শৃঙ্খল সেটিই হচ্ছে প্রশ্নবিদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশে কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত সাতটি শিক্ষা কমিশন হয়েছে। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি করেছি। তার বাস্তবায়ন আছে? বাস্তবায়ন হলে এখন পালাতে হয়? এটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে কাজ করা উচিত।
এখনো সুযোগ পেলে আমাদের পুরনো অভ্যাসের চর্চা থেকে বের হতে পারিনি। উপাচার্য হিসেবে প্রায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার প্রাণের সন্তানরা অসাধারণ প্রতিবাদী। তারা যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। এটি অত্যন্ত ভালো দিক। কিন্তু এটাও সত্য যে আমরা যদি তাদের এ আত্মত্যাগকে কার্যকর করতে চাই বৈচিত্র্যের নামে বিভাজন বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আপনার সন্তানও কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সন্তানকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানাতে হবে—এটি অভিভাবকদের অঙ্গীকার। এখানেই শেষ নয়। অভিভাবকদেরও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে। এত টাকা খরচ করে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানানোর পর বাবা-সন্তান মিলে যখন পুলিশ অথবা প্রশাসক হতে চায়—এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। প্রশাসনের মাথা এত ভারী করা হয়েছে, যা দেখেছি মতিউর-বেনজীরদের। এ জায়গাটি কে ঠিক করবে? এ আলোচনায় ঠিক করার কেউ আছি? যারা শুনছেন, যে রক্তস্রোতের মধ্য দিয়ে পরিবর্তন হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ঋণ শোধ করুন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০ কোটি টাকা ঘাটতি বাজেট আছে। সেখানে অভ্যন্তরীণ আয় করার উপায় হচ্ছে একটু পড়াতে পারেন কিন্তু শিক্ষকরা তো কৃষিকাজ বা মাছ চাষ করতে পারেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেখানে উইকেন্ড কিংবা ইভিনিং কোর্স চালু করেছেন। এ শিক্ষার বিষয়ে বাণিজ্যিকীকরণের একটি বয়ান আছে। এ বিষয়টি চিহ্নিত করতে হবে। আবার ভর্তি পরীক্ষাসহ এসব জায়গায় সামান্য উপার্জন হয়। বিগত সরকারের আমলে ইউজিসি বলেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে। এসব আয়ের ৪০ শতাংশ ইউজিসি নিয়ে যাচ্ছে। ঘাটতি বাজেটে চলা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারের সহায়তায় যেন একটু ভালোভাবে চলতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রাজনৈতিকীকরণ থেকে বের হতে হবে। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি বাহ্যিক উপাদান। অপরিকল্পিতভাবে অনেকগুলো নীতি বাস্তবায়ন হচ্ছে। অভিভাবকদের জায়গাগুলোর স্বচ্ছতা আনা গেলে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ভালো-মন্দ ঠিক করা সম্ভব। বিশেষ করে শিক্ষকদের শিক্ষকতা পেশাকে একটি ব্রত মনে করতে হবে। শিক্ষকতাকে চাকরি মনে করা যাবে না। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সর্বশেষ বেতন কাঠামোর তুলনা করলে নীতিনির্ধারকরা সহজেই বুঝতে পারবেন যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে যান। দুই-তিনটি জায়গায় কাজ না করলে জীবন-জীবিকা রক্ষা করা কঠিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা মেধাবীদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অবদান চাইবেন আর তাদের দরিদ্র রাখবেন—সেটি কি স্ববিরোধিতা নয়? আমি বলছি না, তাদের টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। বরং ন্যায্য ও বৈষম্যহীন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মনোযোগ দিতে হবে। প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগতভাবে মনে রাখা দরকার—আমি যে দায়িত্ব পালন করছি সেটি যেন ঠিকভাবে সম্পাদন করি। আমি যদি সঠিকভাবে কাজ সম্পাদন না করি তাহলে অন্যজনে ঠিক কাজটি করবে কী করে? আর সবাই যদি এ রকম করি তাহলে পরিবর্তন হবে কী করে? এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন—সেই প্রত্যাশা করছি।
ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান: উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[‘উচ্চ শিক্ষায় বৈশ্বিক মান: বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক শিরোনামে বণিক বার্তা আয়োজিত প্রথম বাংলাদেশ উচ্চ শিক্ষা সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচকের বক্তব্য]










