মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অংশ হিসেবে করপোরেট মুনাফা রেকর্ড ১৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে এবং ওয়াল স্ট্রিট চূড়ার কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফলে মজুরি কমা সত্ত্বেও শেয়ারবাজারের চাঙ্গা ভাব সাধারণ পরিবারের সার্বিক ব্যয়ে সুরক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং বাজেট ঘাটতি রেকর্ড ছুঁয়েছে। বন্ড পুনর্বিক্রয় বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের খরচ কমানোর সাম্প্রতিক সরকারি চেষ্টা বিশ্লেষকদের কাছে সমালোচিত হলেও সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এতে খুব একটা বিচলিত নয়। জিডিপির তুলনায় গৃহস্থালি ঋণ কমে ৬৬ শতাংশে নেমেছে, যা ১৯৯৮ সালের পর সর্বনিম্ন। কম সুদের পুরনো মর্টগেজ ও সম্পদমূল্য বাড়ায় সুদহার ও জ্বালানির দাম বাড়লেও ব্যবহারিক ব্যয় বজায় রয়েছে। একইভাবে করপোরেট ঋণ সামান্য বাড়লেও তা দুই দশকের সর্বনিম্ন ঘনত্বের কাছাকাছি। তাছাড়া বিশ্ব রিজার্ভ কারেন্সি ও অর্থ ছাপানোর সীমাহীন ক্ষমতার কারণে ওয়াশিংটন পরিবার বা কোম্পানির মতো বাজেট সীমাবদ্ধতায় পড়ে না। সংক্ষেপে অস্বাভাবিক সরকারি ঘাটতির বিপরীতে বেসরকারি খাতের এ উদ্বৃত্ত মার্কিন অর্থনীতির বিপরীতমুখী বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে তুলছে।
[রয়টার্স থেকে সংক্ষেপিত ভাষান্তর]
জেমি ম্যাকগিভার: অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিক










