তবে বিদ্যালয়ের ওপর ঠিক কতটা দায়িত্ব দিলে তা উপকারী বা ক্ষতিকর হবে তার জন্য বাস্তববাদী হওয়া প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড়জোর পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের তালিকা করে তাদের দক্ষ করতে বাড়তি মনোযোগ দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভাষা দক্ষতা ও গণিতে ভালো করলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ঝুঁকি কম থাকে। এর বাইরে কোনো আমলাতান্ত্রিক শিক্ষানীতি বা মূল্যায়ন পদ্ধতি চাপানো মানে বাড়তি বোঝা।

বিদ্যালয় শিক্ষাগত দক্ষতা বাড়িয়ে ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধার করাতে পারে। কিন্তু শ্রমবাজারে মৌলিক বা কাঠামোগত সমস্যা থাকলে দক্ষতা বাড়িয়ে উন্নত কর্মসংস্থান হবে না। অথচ নীতিনির্ধারকরা তরুণদের ক্রমবর্ধমান বেকারত্বকে শিক্ষা খাতের সমস্যা হিসেবে দেখে। এজন্য ঢালাওভাবে শিক্ষা খাতকে রূপান্তরের আলাপ হয়, বরং অর্থনীতির পদ্ধতিগত সমস্যায় তাকাতে হবে। বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আধুনিক অর্থনীতিতে টেকার দক্ষতা দিতে পারে। একই সময় অর্থনীতিকেও ওই দক্ষতার সুযোগ নেয়ার মতো প্রস্তুত হতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ না বাড়িয়ে শুধু দক্ষতা বাড়লে একদল মেধাবী অথচ হতাশ প্রজন্মই তৈরি হবে। যেকোনো সামাজিক সমস্যার সমন্বিত সমাধান করার সময় শিক্ষা খাতের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা নীতিনির্ধারকরদের এড়াতে হবে।

[দ্য গার্ডিয়ান থেকে সংক্ষেপিত]

ডেইজি ক্রিস্টুডুলু: যুক্তরাজ্যের শিক্ষা প্রযুক্তিবিষয়ক স্টার্টআপ নো মোর মার্কিংয়ের শিক্ষাবিষয়ক পরিচালক