উন্নত বিশ্বের দেশগুলো প্রচুর অর্থ খরচে বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরিতে ব্যস্ত। উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে এ পথ অনুসরণ অসম্ভব। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ছোট ও নির্দিষ্ট কাজের উপযোগী এআই টুল ব্যবহার করে তারা তাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। কর্মসংস্থানের বাজারে অটোমেশনের হুমকি বিশ্বজুড়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ। তবে বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ধনী দেশগুলোতে জেনারেটিভ এআইয়ের কারণে যেখানে প্রায় ১৪ দশমিক ২ শতাংশ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন, সেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ ঝুঁকি মাত্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। এখনো কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তানির্ভর হওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোর কর্মীরা কাজ হারানোর বদলে এআই প্রযুক্তি থেকে সরাসরি সহায়তা পাবেন। যেসব উন্নয়নশীল দেশ কল সেন্টার, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিংবা ব্যবসায়িক আউটসোর্সিংয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল, তারা কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। স্থানীয় কম্পিউটিং পাওয়ার সীমিত কিংবা ইন্টারনেটের গতি ধীর হলেও নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য তৈরি এআই টুল দিয়ে জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। তবে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে উৎপাদনশীলতার ব্যবধান কমাতে হলে স্থানীয় ভাষা ও ডেটার ওপর নির্ভর করে এআই মডেলগুলোকে কাস্টমাইজড করে গড়ে তুলতে হবে।
[ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল থেকে সংক্ষেপিত]
পল হ্যানন: মার্কিন সংবাদমাধ্যম ডাও জোনস নিউজওয়ারের অর্থনীতি-বিষয়ক সম্পাদক










