কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্যনীতি বা মিত্রতার সমীকরণ খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে, কিন্তু সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, বিরল খনিজ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ চেইন গড়ে তুলতে লাগে বহু বছর। এ বাস্তবতা উপেক্ষা করলে জ্বালানি রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।
গত এক দশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে বিশ্বের বড় অংশ চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ অনেক দেশ জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এ নির্ভরতা কমাতে চাইলেও বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন। নতুন কারখানা, খনিজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, দক্ষ জনবল ও অবকাঠামো তৈরিতে দীর্ঘ সময়, বিপুল বিনিয়োগ এবং নীতিগত ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।
অনেক সরকারই ধরে নেয় যে শুল্ক আরোপ, নিষেধাজ্ঞা বা নতুন শিল্পনীতি গ্রহণ করলেই দ্রুত নতুন সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি হয়ে যাবে। কিন্তু নীতির ঘন ঘন পরিবর্তন ও কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশও প্রত্যাশিত গতিতে এগোয় না। এক্ষেত্রে প্রয়োজন ধৈর্য, ধারাবাহিক বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
সারা লাডিসলো: প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, নিউ এনার্জি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ট্র্যাটেজি সেন্টার
নিক্কেই এশিয়ায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে










