জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে কনটেন্ট শিল্পে আঞ্চলিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জাপান বিপুল সাংস্কৃতিক প্রভাব তৈরি করলেও স্থানীয় স্বত্বাধিকারীরা তার পুরো বাণিজ্যিক সুবিধা পাননি। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া শুরু থেকেই বিদেশী দর্শক ও বাজার তৈরিকে লক্ষ্য করে প্রতিষ্ঠান গড়েছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও তাইওয়ান এখন অর্থায়ন, সহপ্রযোজনা ও প্রণোদনা বাড়ালেও স্থানীয় মালিকানাধীন মেধাস্বত্ব, দরকষাকষির ক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বিপণনে ঘাটতি রয়ে গেছে।
২০২০-২৫ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কনটেন্ট বৈশ্বিক স্ট্রিমিং গ্রাহকদের কাছ থেকে ১৭০ কোটি ডলার আয় করলেও এর ৪৭ শতাংশ এসেছে অঞ্চলটির ভেতর থেকে; দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রে এ হার মাত্র ১৮ শতাংশ। নেটফ্লিক্সের তথ্যেও ইন্দোনেশিয়ার প্রায় ২৪ এবং থাইল্যান্ডের ৩০ শতাংশ শিরোনাম বিশ্বজুড়ে পাওয়া গেছে। ফলে ৭০ কোটি মানুষের আঞ্চলিক বাজারে আগে আন্তঃদেশীয় দর্শক ও অনুরাগী তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি অধিকার, দর্শক-তথ্য ও আন্তর্জাতিক পরিবেশনা নিয়ে বৈশ্বিক প্লাটফর্মগুলোর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে দরকষাকষি করতে হবে।
[নিক্কেই এশিয়া থেকে সংক্ষেপিত ও অনূদিত]
ডগলাস মন্টগোমারি: গ্লোবাল কানেক্টস মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী এবং টেম্পল ইউনিভার্সিটি জাপানের খণ্ডকালীন অধ্যাপক










