কারণ কৃষিজমি ও তৃণভূমি পরিবর্তিত হয়ে বসতি বা অন্যরূপে রূপান্তরিত হয়, যার ফলে উদ্ভিদের বৈচিত্র্য কমে যায় এবং পাখি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর অর্থ এই নয় যে সৌরশক্তি বর্জন করা উচিত। প্রচলিত একটি ভুল ধারণা আছে যে নবায়নযোগ্য মানেই পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব। সৌরপ্রযুক্তিরও ভূমিসংক্রান্ত খরচ রয়েছে, যা নির্ভর করে এটি কোথায় এবং কীভাবে স্থাপন করা হচ্ছে তার ওপর। স্থানভিত্তিক সঠিক পরিকল্পনা চাই। মরুভূমি, গোবি অঞ্চল বা অবক্ষয়িত ভূমিতে বড় আকারের সৌর প্রকল্প তৈরি করা উচিত, যেখানে জমির প্রতিযোগিতা কম। অন্যদিকে জনবহুল বা জীববৈচিত্র্য-সমৃদ্ধ অঞ্চলে ছাদের ওপর সোলার প্যানেল বা বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা বেশি যুক্তিযুক্ত। একই সঙ্গে, দৃশ্যমান সবুজ মানেই যে প্রকৃত পরিবেশগত মান ভালো, তা নয়; পাতার ক্ষেত্রফল বাড়লেও উদ্ভিদের বৈচিত্র্য কমতে পারে। সৌরশক্তি শতভাগ পরিবেশগতভাবে নিষ্পাপ না হলেও এর বিকল্প জীবাশ্ম জ্বালানি বা অন্যান্য উৎস আরো অনেক বেশি ক্ষতিকর। প্রকৃতপক্ষে, পরিবেশগত ঝুঁকি বা ক্ষতির ভয়ে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বন্ধ না করে এর সঠিক স্থান নির্বাচন, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং সামগ্রিক ব্যয় সুবিধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই হলো প্রকৃত দায়িত্বশীল ও পরিপক্ব পথ।
লিউ বাওচেং: ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এথিকসের ডিন










