কাজী ওমর ফয়সাল আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক। এছাড়া তিনি বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন। বেলজিয়ামের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব ল্যুভেন, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা একাডেমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক আইনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও ফরাসি, স্প্যানিশ ও চীনা ভাষায় পারদর্শী। জেনোসাইড, এর বিচার এবং এর স্বীকৃতিসহ নানা বিষয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন বণিক বার্তায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবরিনা স্বর্ণা।
স্বাধীনতার এত বছর পরও কেন আন্তর্জাতিক মহলে একাত্তরের জেনোসাইডের সাইডের স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি?
একটি উত্তর উপনিবেশিক রাষ্ট্র বা স্বাধীন রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে শুরুতে উত্থান-পতন থাকে, যেটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ছিল। তবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার জন্মের পর থেকে জেনোসাইডের স্বীকৃতি বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি, তা নয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ জেনোসাইড সংঘটনের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের জন্য একাধিক আইনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ (আইসিটিবি) আইন প্রণয়ন। এটি তর্কসাপেক্ষে পৃথিবীর প্রথম আইন যেটি জেনোসাইডকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে। কিন্তু বাংলাদেশকে এ আইনের অধীনে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র ছিল। তাদের আন্তর্জাতিক অনেক শক্তিশালী লবিং ছিল। এ প্রেক্ষাপটে জেনোসাইডের বিচার করাটা বাংলাদেশের পক্ষে খুবই কঠিন ছিল। পাকিস্তান এ বিচার প্রক্রিয়া থামাতে আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত দ্বারস্থ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালের দিল্লি চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ বিচার প্রক্রিয়া আর এগোতে পারেনি। ড. কামাল হোসেনকে বলতে শুনেছিলাম, পাকিস্তান জেনোসাইডসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করবে। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত তাদের কথা রাখেনি। এরপর ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী ও অন্যান্য রাজনৈতিক উত্থান-পতনের প্রেক্ষাপটে জেনোসাইডের ব্যাপারটা এক ধরনের ধামাচাপা পড়ে যায়। এসব কারণে জেনোসাইডের বিচার ও স্বীকৃতির বিষয়টি পিছিয়েছে।
অর্থাৎ এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক দুটি কারণই রয়েছে। নিজেদের অনাগ্রহ আর আন্তর্জাতিক মহলের চাপ। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে দেশীয় আইনে জেনোসাইডকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু ১৯৪৮ সাল থেকে জেনোসাইড বিষয়ক যে কনভেনশনে আছে, বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে ওই কনভেনশন অনুসমর্থন করে। আবার বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সালে বাংলাদেশ জেনোসাইড দিবস পালন শুরু করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জেনোসাইড সংক্রান্ত যেসব একাডেমিক গবেষণা আছে, সে বিষয়ে লক্ষ করলে দেখা যাবে, ২০১০ সালের পর বাংলাদেশ জেনোসাইড নিয়ে গবেষণার আগ্রহ বাড়লেও মানসম্পন্ন গবেষণা এখনো যথেষ্ট অপ্রতুল বলে মনে হয়। আমাদের এ নিষ্ক্রিয়তা বাংলাদেশ জেনোসাইডের স্বীকৃতি অপ্রাপ্তিতে বেশ ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান কখনো চাইবে না বাংলাদেশ জেনোসাইডের হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক। আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে জেনোসাইড সংঘটিত হয়েছিল, আমাদের জনগণের এক্ষেত্রে নিজের একটি দায় আছে। যদি কোনো আর্মেনীয়কে আর্মেনিয়ান জেনোসাইড নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাদের কারো কোনো দ্বিমত লক্ষ করা যাবে না। তারা সবাই একমত যে, তাদের বিরুদ্ধে জেনোসাইড হয়েছে। অন্যদিকে আমাদের এখানে জেনোসাইড হয়েছে কিনা সেই ঐকমত্যটা ওইভাবে গড়ে ওঠতে পারেনি। বাংলাদেশ জেনোসাইড সংক্রান্ত সচেতনতা কার্যক্রম এ বিষয়ে ঐকমত্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। আমার অভিজ্ঞতায় বলে যে, এ সচেতনতা বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আগের থেকে বেশি বিদ্যমান। যখন ঐকমত্যে পৌঁছতে পারব, তখন জেনোসাইডের স্বীকৃতির বিষয়টি সহজ হবে।
আইসিটিবিডি এক্ষেত্রে কতটা অগ্রসর হতে পেরেছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এ বিষয়ে কী সহায়তা করতে পারে?
আইসিটিবিডির কিছু কাঠামোগত ও প্রবেশাধিকারগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যতগুলো বিচার হয়েছে সেগুলো দেশীয় দোসরদের। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের সঙ্গে ২০১৮ সালের নভেম্বরে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছিলাম। আমি গবেষণায় দেখেছি যে, আইসিটিবিডি ওই সময় পর্যন্ত সমাপ্ত ৩৫টি মামলার মধ্যে ১২টি মামলায় ২১টি জেনোসাইডের অভিযোগের বিচার করেছে। ওই মামলায় ভিক্টমের সংখ্যা খুবই সীমিত। কিন্তু আমাদের মোট ভিক্টিমের সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। সে অনুপাতে অভিযোগ ও অভিযুক্তের সংখ্যা খুবই কম। এক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা পাকিস্তানিদের অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে পারিনি। কিন্তু পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশনে জীবিত পাকিস্তানি অভিযুক্তদের বিচার করতে পারে। এ বিষয়ে অবজারভারে একটা আর্টিকেল লিখেছিলাম। এছাড়া তাদের আইসিটিবিডির মাধ্যমে পাকিস্তানের অপরাধীদের অনুপস্থিতিতে বিচার (ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া) করা সম্ভব। অর্থাৎ তাদের শাস্তির আওতায় আনা না গেলেও তাদের বিচার ও শাস্তি ঘোষণা করা যেতে পারে। আইসিটিবিডি ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৩৪ জন ব্যক্তিকে অনুপস্থিতিতে বিচার করেছে। কারণ বিচারের অন্যতম একটি প্রাসঙ্গিক উদ্দেশ্য হলো সত্য প্রতিষ্ঠা করা, ভুক্তভোগীকে সত্য জানানো। আইসিটিবিডি এক্ষেত্রে একটা ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এক্ষেত্রে আইসিটিবিডি কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবে তা সরকার ও আইসিটিবিডির পলিসির ওপর নির্ভর করে।
ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) এক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখতে পারে?
এক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসের ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। কেননা বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান উভয়ই আইসিজের এবং জেনোসাইড কনভেনশনের সদস্য। আবার পাকিস্তান জেনোসাইড কনভেনশনের ৯ নং আর্টিকেলে কোনো রিজার্ভেশন দায়ের করেনি। কিন্তু এখানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে । বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে জেনোসাইড কনভেনশনের নতুন করে সদস্য হয়েছে এবং আর্টিকেল ৯-এ রিজার্ভেশন দায়ের করেছে। রিজার্ভেশন অনুযায়ী কেউ যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো মামলা করতে চায়, তাকে বাংলাদেশের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। বিপরীতভাবে বাংলাদেশ যদি কারো বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় তাহলে বাংদেশেরও ওই রাষ্ট্রের অনুমতি লাগবে। তবে বাংলাদেশ চাইলে এ আর্টিকেলে প্রত্যাহার করতে পারবে এবং প্রত্যাহার করা উচিত বলে আমি মনে করি। এছাড়া জেনোসাইডে ভিক্টিম জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে এ রিজার্ভেশন প্রত্যাহার করা উচিত।
জেনোসাইডের বিচার, স্বীকৃতি পাওয়ার সঙ্গে ক্ষতিপূরণ পাওয়া কতটা জরুরি বলে আপনি মনে করেন?
বিচার বা স্বীকৃতি পওয়ার সঙ্গে ক্ষতিপূরণের বিষয় সংগত বলে আমি মনে করি। আন্তর্জাতিক আইনে আমরা এটিকে রেপারেশন বলে থাকি এবং রেপারেশন বিভিন্নভাবে হতে পারে। জেনোসাইডের স্বীকৃতি পাওয়াটাও এক ধরনের রেপারেশন। কারণ এটির ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমলে নেবে যেকোনো জনগণের বিরুদ্ধে জেনোসাইড সংঘটিত হয়েছে। এক্ষেত্রে আইসিজে জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন বসনিয়ার স্রেবেনিচায় যে জেনোসাইড সংঘটিত হয়েছিল আইসিজের রায়ের পরবর্তী সময়ে কোনো দ্বিমত নেয়। তবে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার একমাত্র মাধ্যম আইসিজে না। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা আন্তর্জাতিক অন্যান্য বিরোধ নিষ্পত্তি মাধ্যমেও এটি হতে পারে। আমার মনে হয় বাংলাদেশের এ বিষয়ে জোর দেয়া উচিত এবং এটি বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হতে পারে। যেমন কোরিয়া ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপান কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের (বিশেষ করে কমফোর্ট উইমেন) রেপারেশনের বিষয় একটা বড় ভূমিকা রাখে।
পাকিস্তানের অপামর জনগণ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম একাত্তরে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে অবগত নয় বলে ধারণা করা হয়। তাহলে এ অবস্থায় ক্ষতিপূরণের আলোচনা কি সম্ভব?
সাধারণত জেনোসাইডের স্বীকৃতি ও রেপারেশনের আলোচনা মূলত আন্তঃরাষ্ট্রিক হয়ে থাকে। তবে জনগণ পর্যায়ে এ-জাতীয় দাবি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারলে রাষ্ট্রের কিছু কাজ সহজ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে পাকিস্তানি সাধারণ জনগণ বাংলাদেশ জেনোসাইড বিষয়ে যত অবগত হবে, বাংলাদেশর জন্য কাজটি ততটা সহজ হয়ে যাবে। ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে বাংলাদেশ কেন আলাদা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলেন। কিন্তু মোটাদাগে বলতে গেলে পাকিস্তানের কেউ এ বিষয়ে কথা চায় না। ইমরান খানও ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসার পর এ বিষয়ে কোনো কথা বলবে কিনা সেটিও একটি প্রশ্ন। পাকিস্তানের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর যে প্রভাব বিদ্যমান, সেক্ষেত্রে এ বিষয়ে পাকিস্তানের দ্রুত কোনো অবস্থান পরিবর্তনের আশা করা কঠিন। তবে এই ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে বাংলাদেশ জেনসাইড বিষয়ে পাকিস্তানি জনগণের কাছে পৌঁছানো আগের থেকে বেশ সহজ। এক্ষেত্রে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
সম্প্রতি স্বীকৃতি আদায়ের প্রয়োজনে সেল গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেল গঠনের বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?
যদিও দেরি হয়ে গেছে তবুও সেল গঠনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক্ষেত্রে রাষ্ট্রকেই বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি দেশে একটির বিশেষজ্ঞ গ্রুপ তৈরি করা জরুরি যারা এ বিষয়ে সাহায্য করবে, গবেষণা করবে, লেখালেখি করবে। আমি নিজে প্রায় ১০ বছর ধরে এ বিষয়ে গবেষণায় যুক্ত। কিন্তু এ ১০ বছরে বাংলাদেশ জেনোসাইড সংক্রান্ত গবেষণার গুণগত ও সংখ্যাগত পরিবর্তন দেখিনি। এ বিষয়ে আরো গবেষণা ও লেখালেখি হওয়া উচিত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেল গঠন করা হলে এসব কাজকে সমন্বয় করা সম্ভব বলে আশাবাদী। সম্প্রতি ইন্টারনাশন্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস বাংলাদেশ জেনোসাইডকে জেনোসাইড বলে স্বীকৃতি দিয়ে একটি রেজল্যুশন পাস করেছে। আমি ২০২৩ সালে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত ওদের কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এ সেলকে এ জাতীয় সংগঠনকে যুক্ত করা উচিত।
আইসিজেতে চলমান জেসোসাইডের মামলায়, বিশেষত গাজায় সংঘটিত গণহত্যা নিয়ে যে প্রক্রিয়া আইসিজেতে চলমান, বাংলাদেশ এতে অংশ নিতে চায় বলে জানিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে কতটুকু?
একটি জেনোসাইড ভিকটিম জাতি হিসেবে বাংলাদেশের অংশ নেয়া এসব বিচার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা উচিত এবং এ অংশগ্রহণ করার সুযোগও রয়েছে। উল্লেখ্য যে, গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার মামলার যা রোহিঙ্গা জেনোসাইড নামেও পরিচিত একটি রায়ে বাংলাদেশ কর্তৃক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কথা বলা উল্লেখ করেছে। আবার প্যালেস্টাইন ইস্যুতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিসীমায় বেশ সরব। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ইসরায়েল মামলায় অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতের পরিভাষায় এ-জাতীয় অংশগ্রহণকে ইন্টারভেশন বলে। এ-জাতীয় অংশগ্রহণের কিছু নীতিগত গুরুত্ব আছে। আমরা যখন অন্যের স্বীকৃতি নিয়ে কথা বলব তখন অন্যরাও আমাদের স্বীকৃতি নিয়ে কথা বলবে।










