শীতল যুদ্ধের সময় পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে যেমন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো শেষ পর্যন্ত আলোচনার পথ বেছে নিয়েছিল, এআই ক্ষেত্রেও তেমন বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি। কারণ নিয়ন্ত্রণহীন এআই সাইবার হামলা, জৈব অস্ত্রের অপব্যবহার, সামরিক সংঘাতের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এমনকি মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর প্রযুক্তির আধিপত্যের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

আমার বিশ্বাস, এআইয়ে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা চলতে পারে, কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা যেন নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও ন্যূনতম বৈশ্বিক নিয়ম তৈরির প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত না করে। দুই দেশ যদি পরস্পরের প্রতি পূর্ণ আস্থা না-ও রাখে, তবু ঝুঁকি কমানোর জন্য নিয়মিত সংলাপ, তথ্য বিনিময় এবং সংকট ব্যবস্থাপনার কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। ইতিহাস দেখিয়েছে, অভিন্ন হুমকি সামনে এলে কূটনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়। এআইও তেমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সহযোগিতা একসঙ্গে চলতে পারে। প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াইয়ের চেয়ে মানবজাতির নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।

থমাস গ্রেমিঙ্গার: সুইস কূটনীতিক ও জেনেভা সেন্টার ফর সিকিউরিটি পলিসির (জিসিএসপি) নির্বাহী পরিচালক

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে লেখা এক নিবন্ধে