গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে ফের আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা গ্রিনল্যান্ড পেতে যাচ্ছি। এই দ্বীপের ৫৭ হাজার বাসিন্দা আমাদের সঙ্গে থাকতে চান।’ খবর বিবিসি।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেনের সঙ্গে ৪৫ মিনিটের উত্তপ্ত এক ফোনালাপ হয়, যেখানে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা বলেন। তখন ফ্রেডরিকসেন গ্রিনল্যান্ড বিক্রি জন্য নয় বলে জোর দাবি জানান। এই ফোনকলের ঠিক পর মুহূর্তেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন।

এর আগে ২০১৯ সালেও ট্রাম্প আর্কটিক অঞ্চল কেনার প্রস্তাব করেন। তখন তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া জরুরি।

তবে ট্রাম্পের আস্থা থাকা সত্ত্বেও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মিউট এগেডে এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেন বলেছেন, এই দ্বীপ বিক্রয়ের জন্য নয়। গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডারদের অন্তর্গত এবং শুধু সেখানের স্থানীয় জনগণই এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

তবে এগেডে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের জনগণের উচিত সহযোগিতা ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে উন্মুক্ত থাকা।

গ্রিনল্যান্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত দেশ যা ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্ত। উত্তর আমেরিকা থেকে ইউরোপের সবচেয়ে ছোট রুটে এটি অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় মহাকাশ সংস্থা এখানে অবস্থিত।

সাম্প্রতিক সময়ে, গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন, বিরল খনিজ, ইউরেনিয়াম এবং লোহার খনির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের।