দেশের প্রথম শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করল গ্রিনহেরাল্ড স্কুল। এর মাধ্যমে,
স্কুলের শিক্ষার্থীরা সার্টিফিকেশন জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।
দেশের প্রথম স্কুল
হিসেবে সার্টিফিকেশন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে গ্রিনহেরাল্ড। প্রচলিত কাগজের সার্টিফিকেট দিয়ে সহজেই জালিয়াতি
করা যায়, যা চাকরিতে নিয়োগের পাশাপাশি দূতাবাসের কাজেও সমস্যা তৈরি করতে পারে। সেটি
বিবেচনায় ট্যাম্পার-প্রুফ অথেন্টিসিটি নিশ্চিতে ডিজিল্যান্ডের ব্লকচেইন সমাধান ব্যবহার
করছে গ্রিনহেরাল্ড।
সম্প্রতি, গ্রিনহেরাল্ড
(জিএইচ) অ্যালামনাইদের নেতৃত্বে গ্রিনহেরাল্ড স্কুল এবং ডিজিল্যান্ডের মধ্যে এ বিষয়ক
একটি চুক্তি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ডিজিল্যান্ড একটি ব্লকচেইন স্টার্টআপ, যা সার্টিফিকেট
ভেরিফিকেশনের কাজ করে।
সার্টিফিকেটগুলো
ব্লকচেইনে ডিজিটালি রেকর্ড হয় এবং কিউআর কোডের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। গ্রিনহেরাল্ড
ডিজিল্যান্ডের ব্লকচেইন প্লাটফর্মকে তাদের সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সমন্বিত করবে,
ফলে সার্টিফিকেট যাচাই আরো দ্রুত হবে, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ খরচ কমবে এবং শিক্ষার্থীরা
ট্যাম্পার-প্রুফ ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জিএইচ অ্যালামনাই
সভাপতি সোনিয়া বশির কবির বলেন, ‘ব্লকচেইনের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী
বাংলাদেশের প্রথম স্কুল হিসেবে গ্রিনহেরাল্ডকে অভিনন্দন। এড-টেক সল্যুশন ব্যবহার যেকোনো
স্কুলের জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে বলে আমার বিশ্বাস।’
জিএইচ অ্যালামনাই মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান বলেন, ‘আমাদের স্কুল ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করায় আমরা গর্বিত। এ সিদ্ধান্ত অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যত শিক্ষার্থী এবং স্কুল প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।’










