‘‌লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন’ প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি বন্ধে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ৬৫ জন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা। যুক্তরাজ্যের রাস্তা থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব প্রযুক্তি সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা। খবর রয়টার্স।

সম্প্রতি রাজা দ্বিতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেকসহ বেশ কয়েকটি বড় ধরনের পাবলিক ইভেন্টে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। যদিও দীর্ঘদিন প্রযুক্তিটির বিষয়ে সমালোচনা করে আসছে দেশটির নাগরিক সমাজ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এরই মধ্যে এটিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলেছে।

চলতি সপ্তাহে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে পুলিশিং মন্ত্রী ক্রিস ফিলপের এক বক্তব্যের পর প্রযুক্তিটি বন্ধের দাবি উঠেছে। ওই সম্মেলনে ক্রিস ফিলপ জানিয়েছিলেন, বায়োমেন্ট্রিক নজরদারির মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত করতে ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও ওই সময়ই মন্ত্রীর এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন কেউ কেউ।

গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইনপ্রণেতারা বলেন, ‘‌আমরা যুক্তরাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, জনগণকে নজরদারি করতে ‘‌লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন’ প্রযুক্তির ব্যবহার অতিদ্রুত বন্ধ করুন।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রবীণ কনজারভেটিভ এমপি ডেভিড ডেভিস, লেবার পার্টির নেতা ডায়ান অ্যাবট ও  জন ম্যাকডোনেল এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি। এছাড়া তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে দেশটির বেশ কয়েকটি অলাভজনক ও দাতব্য সংস্থা। যার মধ্যে রয়েছে বিগ ব্রাদার ওয়াচ, রাননিমিড ট্রাস্ট ও ফক্সগ্লোভের মতো প্রতিষ্ঠান।